ত্বকের সৌন্দর্যে আজকাল ফেসাল, ময়শ্চারাইজিং এমনকি লেজার চিকিৎসারও দ্বারস্থ হয় রূপসচেতন রমণীরা । তবে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও কোমলতা ধরে রাখাই যেন সকলের কাম্য । আর এক্ষেত্রে ময়শ্চারাইজিং এর কোন বিকল্প নেই।
মুখমণ্ডলের ত্বকে সরাসরি প্রয়োজনীয় জলীয় পদার্থের প্রলেপ লাগিয়ে শিশির সিঞ্চিত করাই হচ্ছে ময়শারাইজিং করা। ফলে শুষ্ক ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় থাকে ও পানীয় ভাবকে ধরে রাখতে সাহায্য করে। ময়শ্চারাইজিং করার ফলে বাতাসের পানীয় বাষ্প ময়শ্চারাইজোর টেনে নেয়। ফলে রুক্ষ ত্বক হয়ে ওঠে ঝলমলে কোমল, ফুটে ওঠে ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য। মেকআপ করার আগে ময়শ্চারাইজার এর বেশি প্রাধান্য থাকলেও, অবশ্যই মনে রাখতে হবে মেকআপ করার আগে অল্প ময়শ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার করতে হবে। শুধুমাত্র ময়শ্চারাইজিং করার সময়ে ভাল ব্র্যান্ডের একটু বেশি পরিমাণে ময়শ্চারাইজিং লোশনটি ব্যবহার করতে হবে।
কিভাবে মশ্চারাইজিং করবেন: ক্লিনজিং ও ফ্রেশনিং করার পর নরম তোয়ালে দিয়ে পানি শুষে নিতে হবে। তারপর ১০/১৫ ফোঁটা ময়শ্চারাইজিং লোশন হাতে ঢেলে নিয়ে দু’হাতে ভালভাবে মাখিয়ে মুখমণ্ডল, গলা, ঘাড় ও কনুই থেকে আঙুল পর্যন্ত হাল্কাভাবে লাগান। লোশন মাখবার সময় নিচ থেকে ওপর টানে হাত চালাতে হবে। প্রয়োজনে আরও কয়েক ফোঁটা নিয়ে দ্বিতীয় বার মাখা যায়। কপাল, নাক ও চিবুক ইত্যাদি অংশে আঙুলের ডগার সাহায্যে বিন্দু বিন্দু করে লোশন লাগিয়ে নিতে হবে। চোখের চারপাশে তর্জনীর সাহায্যে লোশন অর্ধচন্দ্রকারে আস্তে আস্তো লাগাতে হবে। এই সময় দু’হাতেও লাগিয়ে নেবেন। মেকআপের আগে মযশ্চারাইজিং লোশন লাগাতে হলে, লোশন মাখার ১০ মিনিট পরে মেকআপের কাজ শুরু করতে হবে। কারণ এ সময়ের মধ্যে লোশন ত্বকে ভালভাবে মিশে যায়, ফলে মেকআপের বিন্যাস হয় সর্বত্র সমান।

প্রাকৃতিক উপায়ে যত্ন নিন আপনার ত্বক ও চুলের
রূপ চর্চার কিছু প্রশ্ন উত্তর/সমস্যা ও সমাধান

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *